সম্প্রসারণের নামে বিভক্ত হচ্ছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

Posted on by

কুমিল্লা টিভি নিউজঃ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) সম্প্রসারণের নামে এটিকে বিভক্ত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।আর এ জন্য বর্তমান ক্যাম্পাস থেকে তিন কিলোমিটার দূরে রাজারখোলা গ্রামে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস করার তোড়জোড় চলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অধিগ্রহণ করার উপযোগী ভূমি থাকা সত্তেও শাখা ছাত্রলীগের সাবেক কয়েকজন নেতার সহযোগিতায় প্রকল্প পাস হওয়ার আগে থেকেই একটি প্রভাবশালী মহল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে বিক্রির জন্য জায়গা নির্দিষ্ট করে কিনে রেখেছে।

গত মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ১১তম সভায় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এক হাজার ৬৫৫ কোটি ৫০ লাখ টাকার মেগাপ্রকল্পের অনুমোদন দেয়া হয়েছে, যার অনেকটাই ব্যয় হবে ভূমি অধিগ্রহণে।বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগাপ্রজেক্টের আওতাধীন ভূমি অধিগ্রহণে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ৭নং, ৯, ১২ ও ১৩নং মৌজার অন্তর্ভুক্ত জমি নির্ধারণ করা হয়েছে। যেখানে ১২ ও ১৩নং মৌজা হচ্ছে রাজারখোলা গ্রামের মৌজা।

কিন্তু কোন জায়গায় ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে,তা পরিষ্কার করে বলছে না বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এ বিষয়টিকে ধোঁয়াশার মধ্যে রেখেছেন স্বয়ং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এমরান কবির চৌধুরীও।গত বুধবার প্রেস ব্রিফিংয়ে ভূমি কোথায় নেয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয় যুগান্তর প্রতিনিধির এমন প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে যান উপাচার্য।এদিকে ক্যাম্পাসের আশপাশে অধিগ্রহণ করার উপযোগী ভূমি থাকা সত্ত্বেও কেন রাজারখোলায় জমি নেয়া হয়েছে, এমন প্রশ্নের জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো. আবু তাহের যুগান্তরকে বলেন, আমরা প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে ৭০ একর ভূমি অধিগ্রহণ চেয়ে প্রকল্প প্রস্তুত করেছিলাম। কিন্তু পরিকল্পনামন্ত্রী তা আরও বাড়িয়ে প্রকল্প প্রস্তুত করতে বলেন যেখানে ২০০.২২ একর জমির কথা উল্লেখ থাকে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে অধিগ্রহণের মতো পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার রাজারখলার ৭নং, ৯, ১২ ও ১৩নং মৌজার ২০০.২২ একর জমি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এখানে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো হাত ছিল না, বলেন তিনি।

Leave a Reply

Developed by: TechLoge

x